মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে চক্র গড়ে বিপুল টাকা পাচারের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়। এখানে উল্লেখ্য যে, তালিকা বহির্ভূত অনুমোদনহীন এজেন্সি নিয়োগকারীর নিকট হইতে ভিসা ক্রয় করে, Dummy Demand letter এবং Power of Attorney (নমুনাঃ HRDC , Times International) নিয়ে কর্মী সরবরাহ ও নির্বাচনের অধিকার/নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে, ফলে তালিকাভূক্ত এজেন্সিসমূহ নিয়োগকারীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির নিকট হতে কর্মী গ্রহণ করতে বাধ্য হয় এবং তালিকাভুক্ত এজেন্সি হিসাবে শুধুমাত্র প্রসেসিং এজেন্টের দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হয়। কর্মী নির্বাচনে সরাসরি তালিকাভুক্ত এজেন্সি সম্পৃক্ত না থাকায় অভিবাসন ব্যয়ের নিয়ন্ত্রণ অনুমোদনহীন এজেন্সির কাছে চলে যায়। এই সুযোগে তারা অভিবাসন ব্যয় ইচ্ছা অনুযায়ী সীমাহীনভাবে বৃদ্ধি করে এবং এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে ৫ লক্ষ টাকা বা ততোধিক টাকা আদায় করে থাকে। অনুমোদনহীন এসকল এজেন্সি নিয়োগকর্তার কাছ থেকে চড়া দামে (বে-আইনীভাবে) ভিসা ক্রয় করে এবং কর্মীর নিকট হতে এই অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে অবৈধ পন্থায় নিয়োগকর্তাকে পরিশোধ করে অথচ পুরো বিষয়টির দায়-দায়িত্ব অনুমোদিত এজেন্সির উপর চাপানোর চেষ্টা করেছে।
ইত:পূর্বে বিগত ২০১৭-১৮ সালে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি মর্মে তদন্তকাজের পরিসমাপ্তির ঘোষণা করে। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে, দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট প্রকাশের পর মালয়েশিয়ার Scoop online news portal- এ মালয়েশিয়ার Anti-Corruption Commission-এর প্রধান জনাব আজম বাকী এর বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে যা’ নিম্নরুপ:
MACC chief commissioner Tan Sri Azam Baki said the agency also found nothing to support claims published by a Dhaka news outlet on allegations of money laundering involving a Bangladesh syndicate recruiting migrant workers for the Malaysian market.
On Prothom Alo’s recent report, Azam said MACC had investigated the claims of money laundering related to the recruitment of Bangladesh workers to Malaysia, but found no evidence.