১. দুই দেশের চুক্তি বা MoU’র ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রেরিত সকল ১৫২০টি বৈধ লাইসেন্স এর মধ্য হতে মালয়েশিয়া সরকার ১০১টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে বাছাই করে। তাহলে আমরা তালিকাভূক্ত ১০১টি এজেন্সিকে কেন সিন্ডিকেট করার জন্য দোষারোপ করে?
২. মালয়েশিয়া সরকার Auto Allocation System -এ কর্মী নিয়োগের জন্য ১০১টি রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যে কোটা বরাদ্দ করেছে, তাহেল ১০১টি এজেন্সির বাইরে ১১০০’র বেশি কিভাবে ভিসা ক্রয় বিক্রয়ে জড়িত হলো?
৩. অনুমোদিত ১০১টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে আমরা যদি এক থেকে দেড় লাখ টাকা সিন্ডিকেট ফি'র জন্য দোষারোপ করে, তাহলে ৫ হতে ৬ লাখ টাকা কারা নিলো?
৪. আমরা এখন পর্যন্ত যে সকল কর্মীর সাথে সরাসরি কথা বলেছি, তাদের মধ্যে একজনও পাওয়া যায় নি যারা অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সিকে পাঁচ লাখ টাকা বা তার চেয়েও বেশি প্রদান করেছে। তাহলে কর্মী থেকে তালিকাভুক্ত এজেন্সি সমূেহর মধ্যে কতগুলো পক্ষ রয়েছে এবং তারা কে কত নিয়েছে? কারণ কর্মী তো পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা দিয়ে বিদেশে গিয়েেছ।
৫. মালয়েশিয়া সরকার নির্দিষ্ট সংখ্যক এজন্সির মাধ্যমে ২০২২-২৪ সময়ে পৌনে পাঁচ লাখ কর্মী নিয়েছে। যদি তাদের সিদ্ধান্ত অগ্রাহ্য করে আমরা কর্মী না পাঠাতাম তাহেল কি ভালো হতো?
৬. গতবারের মতো এবারও যদি মালয়েশিয়া স্বল্পসংখ্যক এজন্সি নিয়ে কাজ করার শর্ত আরোপ করে, এই ক্ষেত্রে আপনাদের অবস্থান কি হবে?
৭. মালয়েশিয়ার সিন্ডিকেট নিয়ে এজন্সিগুলোর মধ্যে দলা-দলি ও রেশারেশি দেখতে পাই অথচ মালয়েশিয়া গমনকারী কোন কর্মীকে তো অনুমোদিত ১০১টি এজন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে দেখি না। তাহলে কি আমরা ধরে নিবো, কর্মীদের স্বার্থের চেয়ে আপনাদের নিজেদের ব্যবসাকে বড় করে দেখছেন?
৮. আমরা সিন্ডিকেট-এন্টি সিন্ডিকেট নিয়ে তর্ক-বিতর্ক দেখে থাকি, তবে স্বল্প ব্যয়ে কর্মীদের নিরাপদ অভিবাসনের জন্য কোন সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব কি আপনাদের কাছে আছে?