বাংলাদেশী কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণ প্রসঙ্গ
প্রকাশিতঃ ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ | English Version
প্রকাশিতঃ ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ | English Version
মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশসহ সকল সোর্স কান্ট্রি হতে পুনরায় কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে। এ বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারণী পর্যায় হতে খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে যে, মালয়েশিয়া সরকার বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুশৃঙ্খলা নিশ্চিতের লক্ষে সীমিত সংখ্যক রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমেই কর্মী নিয়োগে আগ্রহী।
তবে নতুন পর্যায়ের কর্মী নিয়োগের সময় মালয়েশিয়া সরকার এজেন্সির উপর কর্মীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিবে বলে জানা গেছে।
কর্মীদের নিরাপদ অভিবাসন এবং ব্যয় হ্রাসের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিবে বলে জানা গেছে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী রপ্তানির আশু সম্ভাবনা রয়েছে তবে বাংলাদেশের পক্ষ হতে সরকারকে কিছু বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মনে হয়;
সীমিত সংখ্যক এজেন্সির মাধ্যমে বাজার খোলা হলে অবশিষ্ট এজেন্সিসমূহ মারাত্মক ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে।
ইতোপূর্বে অনুমোদিত ১০০টি এজেন্সি মামলা মোকদ্দমা ও দুদক সহ বিভিন্ন সংস্থার হস্তক্ষেপের কারণে এই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হওয়ার আগ্রহ হারিয়েছে।
মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক নতুনভাবে তালিকাভুক্ত এজেন্সি কর্তৃক কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে মারাত্মক ধরনের নিরাপত্তার ঝুঁকি সৃষ্টি হবে।
প্রয়োজনে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার এবং নিয়োগকর্তা ও সরকারী চিন্তা ধারা সম্পর্কে অভিজ্ঞজনের সাথে আলোচনা করা যেতে পারে।
জাতীয় স্বার্থে এই সুযোগটি গ্রহণের লক্ষে বাস্তব সম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
সিদ্ধান্তের অভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের এই সুযোগটি বাংলাদেশ গ্রহণ করতে অসমর্থ হলে অন্যান্য দেশ বিশেষত: নেপাল ও ইন্দোনেশিয়া ইহা গ্রহণ করবে।
বিদেশে কর্মী রপ্তানির ক্ষেত্রে কর্মীদের স্বার্থ এবং রিসিভিং কান্ট্রির মতামতকে অধিকতর গুরুত্বদান।
প্রকৃত ব্যবসায়ি / কর্মী রপ্তানিকারী রিক্রুটিং এজেন্সিসমূহকে আইন প্রয়োগকারী / রাষ্ট্রীয় সংস্থার হয়রানি হতে রক্ষার ব্যবস্থা করা।
এজেন্সিসমূহের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে তালিকাভূক্তির মানদন্ড হিসেবে বিবেচনায় আনা।
জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে মালয়েশিয়াকে আলাদাভাবে বিবেচনা না করে অন্যান্য দেশের মতো একটি অভিন্ন নিয়ম-নীতির আওতায় বিবেচনা করা।
তালিকাভূক্ত এজেন্সিসমূহের সাথে সহযোগী রিক্রুটিং এজেন্সি / সাপ্লায়ার এজেন্সিকেও দায়-বদ্ধতার আওতায় আনা।
সমঝোতা স্মারকে উল্লেখিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় ও বিএমইটি’র দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ।